সংশোধক বর্ণ
|
চিহ্ন
|
চিহ্নের নাম
|
কাজ
|
|
|
খণ্ড ত
|
"ত" এর খণ্ড রূপ
|
ং
|
|
"ঙ" এর খণ্ড রূপ
|
ঃ
|
|
"হ্" এর আরেকটি রূপ, র এবং স বিলুপ্ত হয়ে বানানে বিসর্গ আসতে পারে, যেমন পুনর>পুনঃ, নমস> নমঃ
|
ঁ
|
|
অনুনাসিক স্বর
|
্
|
|
ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "অ" উচ্চারিত হয় না
|
ঽ
|
|
স্বরবর্ণের শব্দ দীর্ঘ করার জন্য ব্যবহৃত
উদাহরণ ১: শুনঽঽঽ (এইখানে "ন"-র পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "অ" দীর্ঘ করা হচ্ছে)
উদাহরণ ২: কিঽঽঽ? (এইখানে "ক" এর সাথে যুক্ত স্বর "ই" দীর্ঘ করা হচ্ছে)
উদাহরণ ২: AvnŸvb
|
্য
|
|
"এ্যা" বা "অ্যা" উচ্চারণ বিশিষ্ট শব্দের জন্য ব্যবহৃত
"মুখ্য"-এর মতন বানানে ব্যবহৃত
ফরাসি ও জার্মান বর্ণ "ü"-কে
"উ্য" আর "ö"-কে
"ও্য" বা "এ্য" -তে প্রতিলিপি করা জন্য ব্যবহৃত।
|
্র
|
|
যুক্তাক্ষরের র-কারান্ত রূপ
|
র্
|
|
যুক্তাক্ষরের র-কারাদি রূপ
|
্ব
|
|
শুধু সংস্কৃত থেকে গৃহীত শব্দের বানান সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত যেমন, "স্বাধীন", "বিদ্বান", "বিশ্ব"
মাঝে-মধ্যে ইসলাম-সংক্রান্ত আরবি শব্দ প্রতিলিপি করা জন্য ব্যবহৃত।
উল্লেখ্যঃসব ব-কারান্ত যুক্তাক্ষরের 'ব' বফলা নয়; যেমন অম্বর, লম্বা, তিব্বত, বাল্ব এসব যুক্তাক্ষরের 'ব' বফলা নয়।
|
৺
|
|
স্বর্গীয় অথবা মৃত ব্যক্তির নামের আগে এই চিহ্ন ব্যবহৃত
|
|
|
|
আহাবন
|
অবগ্রহ বাংলা বর্ণমালার একটি বিশেষ বর্ণ বা চিহ্ন যা "ঽ"
দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সংস্কৃতে "অ"
স্বরের বিলোপ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হতো, যেমন "শিবোঽহম্"
(শিব+অহম) অর্থাৎ "আমি শিব"।
বর্তমানে এই চিহ্ন আহ্বান বা চিৎকারের সুরে স্বরবর্ণের শব্দ দীর্ঘ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
অবগ্রহ চিহ্নটি দেখতে অর্ধেক মাত্রা ওলা "হ"
মত। তবে এর উৎস সংস্কৃত ভাষা ও ব্রাহ্মী লিপি থেকে তাই এ চিহ্ন ইংরেজি "এস"
(S)-এর মত দেবনাগরী "ऽ"
হিসেবেই বেশি পরিচিত।
·
উদাহরণ ১: শুনঽঽঽ (এইখানে "ন"-র পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "অ"
দীর্ঘ করা হচ্ছে)
·
উদাহরণ ২: কিঽঽঽ? (এইখানে
"ক" এর সাথে যুক্ত স্বর "ই"
দীর্ঘ করা হচ্ছে)