Monday, April 23, 2012

এসো হে বৈশাখ এসো এসো – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


এসো হে বৈশাখ এসো এসো

     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক পুরাতন স্মৃতি, যাক ভুলে যাওয়া গীতি, অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক। মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা রসের আবেশরাশি শুষ্ক করি দাও আসি, আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক।
www.fb.com/jrliton77 

অবস্থান - শিমুল মুস্তাফা


        অবস্থান

শিমুল মুস্তাফা


এখন আমার ভীষণ খরা।
এখন আমার ভীষণ খরা
হাতের মুঠোয় লক্ষ তারা
একটি তারাও যায়না ধরা
কেউ বলে না, কেউ টলে না
কেমন আছ? কোথায় আছ?
কোন পাতাতে ফুল গুঁজেছ
কেউ বলে না, কেউ বলে না।

কোন বারুদে অগ্নি বেশি, কোন ফাগুনে ফুল
কোন কথাটা শুদ্ধ বেশি, কোন কথাটা ভুল
কেউ বলে না, কেউ বলে না।

কোন পাখিটা দুঃখী ভীষণ, কোন পাখিটা সুখী
কোন আঁখিটা সুখী ভীষণ, কোন নদীটা দুঃখী
কেউ বলে না, কেউ বলে না।

বুকের কাছে আলতো এসে
লাজুক চোখে ভালোবেসে
একটি বারও কেউ বলে না
যেমন ছিলে তেমন থেকো
তেমন থেকো যেমন ছিলে
তোমার জীবন সুখের হবে
কেউ বলে না, কেউ চলে না
কেউ বলে না।

এখন আমায় কেউ বলে না!
অষ্ট প্রহর কেমন থাক?
স্বপন মাঝে কোথায় থাক?
কোন তারাটা নিশিত রাতে
আমার জাগার সাক্ষী থাকে?
কেউ জানে না, কেউ জানে না।

কেউ জানে না, কেউ বোঝে না
কেউ বোঝে না, কেউ খোঁজে না
কোন পুকুরের পদ্ম গুলো
ভোর না হতে নিখোঁজ হতো
কোন বাগানের বোধ গুলো সব
সারা দুপুর রোদ পোহাত
একটি যুগল আসবে বলে
সারা দুপুর সন্ধ্যা হলো
কেউ এলো না, কেউ এলো না
কেউ এলো না।

www.fb.com/jrliton77 

Let's a ঢুঁ Let's Know সংশোধক বর্ণ কোণগুলো ?

সংশোধক বর্ণ

চিহ্ন
চিহ্নের নাম
কাজ
খণ্ড
"" এর খণ্ড রূপ
"" এর খণ্ড রূপ
"হ্" এর আরেকটি রূপ, এবং বিলুপ্ত হয়ে বানানে বিসর্গ আসতে পারে, যেমন পুনর>পুনঃ, নমস> নমঃ
অনুনাসিক স্বর
ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "" উচ্চারিত হয় না
স্বরবর্ণের শব্দ দীর্ঘ করার জন্য ব্যবহৃত
উদাহরণ : শুনঽঽঽ (এইখানে ""- পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "" দীর্ঘ করা হচ্ছে)
উদাহরণ : কিঽঽঽ? (এইখানে "" এর সাথে যুক্ত স্বর "" দীর্ঘ করা হচ্ছে)
উদাহরণ :  AvnŸvb
্য
"এ্যা" বা "অ্যা" উচ্চারণ বিশিষ্ট শব্দের জন্য ব্যবহৃত
"
মুখ্য"-এর মতন বানানে ব্যবহৃত
ফরাসি  জার্মান বর্ণ "ü"-কে "উ্য" আর "ö"-কে "ও্য" বা "এ্য" -তে প্রতিলিপি করা জন্য ব্যবহৃত
্র
যুক্তাক্ষরের -কারান্ত রূপ
র্
যুক্তাক্ষরের -কারাদি রূপ
্ব
শুধু সংস্কৃত থেকে গৃহীত শব্দের বানান সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত যেমন, "স্বাধীন", "বিদ্বান", "বিশ্ব"
মাঝে-মধ্যে ইসলাম-সংক্রান্ত আরবি শব্দ প্রতিলিপি করা জন্য ব্যবহৃত।
উল্লেখ্যঃসব -কারান্ত যুক্তাক্ষরের '' বফলা নয়; যেমন ম্ব, ম্বা, তিব্ব, বাল্ব এসব যুক্তাক্ষরের '' বফলা নয়
স্বর্গীয় অথবা মৃত ব্যক্তির নামের আগে এই চিহ্ন ব্যবহৃত
আহাবন



অবগ্রহ:
অবগ্রহ বাংলা বর্ণমালার একটি বিশেষ বর্ণ বা চিহ্ন যা "" দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সংস্কৃতে "" স্বরের বিলোপ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হতো, যেমন "শিবোঽহম্" (শিব+অহম) অর্থাৎ "আমি শিব"
ব্যবহার :
বর্তমানে এই চিহ্ন আহ্বান বা চিৎকারের সুরে স্বরবর্ণের শব্দ দীর্ঘ করার জন্য ব্যবহৃত হয়
বৈশিষ্ট্য :
অবগ্রহ চিহ্নটি দেখতে অর্ধেক মাত্রা ওলা "" মত। তবে এর উৎস সংস্কৃত ভাষা ব্রাহ্মী লিপি থেকে তাই চিহ্ন ইংরেজি "এস" (S)-এর মত দেবনাগরী "" হিসেবেই বেশি পরিচিত
·         উদাহরণ : শুনঽঽঽ (এইখানে ""- পূর্বনির্ধারিত সহজাত স্বর "" দীর্ঘ করা হচ্ছে)
·         উদাহরণ : কিঽঽঽ? (এইখানে "" এর সাথে যুক্ত স্বর "" দীর্ঘ করা হচ্ছে)