Saturday, August 02, 2014

মা - কাজী নজরুল ইসলাম

        মা

কাজী নজরুল ইসলাম

যেখানেতে দেখি যাহা
মা-এর মতন আহা

জীবনের হিসাব - সুকুমার রায়

Sukumar Ray.jpg


                 জীবনের হিসাব
                   সুকুমার রায়

বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই চড়ি শখের বোটে
মাঝিরে কন, "বলতে পারিস সূর্যি কেন ওঠে?
চাঁদটা কেন বাড়ে কমে? জোয়ার কেন আসে?"

গল্প বলা - সুকুমার রায়

                                                             Sukumar Roy

                                                                   গল্প বলা

                                                                     সুকুমার রায়

“এক যে রাজা”–”থাম্ না দাদা, রাজা নয় সে, রাজ পেয়াদা৷” “তার যে মাতুল”–”মাতুল কি সে?— সবাই জানে সে তার পিশে”

সিঁড়ি - সুকান্ত ভট্টাচার্য

      সিঁড়ি

সুকান্ত ভট্টাচার্য

আমরা সিঁড়ি,
তোমরা আমাদের মাড়িয়ে

অধম ও উত্তম - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

 Satyendranath Datta

অধম ও উত্তম

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

কুকুর আসিয়া এমন কামড় 

দিল পথিকের পায়

The Deaf Bangalee Part - 4 বধির বাঙ্গালি - Part 4

আসসালা মুআলাইকুম!
আশাকরি সবাই ভালো আছেন। কামনাও তাই। যেহেতেু ব্যস্ততার কারণে ইদানিং ফেইসবুকে আসতে পারিনি তাই অনেকের প্যৌস্টে ই লাইক এবং কমেন্ট করতে পারিনি। সেজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
অ্যানিউয়েই, যারা আমার লেখা

‘সবজান্তা বিসিএস সমাচার’,

‘উচ্চশিক্ষিত মাথামোটা সমীপে’,

‘ঘর জামাই’,

‘Learn and Let Me Learn’,

‘গোড়ায় গলদ’,

‘সিলেটি
OC / DC’

ভুল জানার চেয়ে ভুলের মধ্যে বাস করাটা কী বড়
অপরাধ নয়?

‘The Deaf Bangalee-বধির বাঙ্গালি’ 
শিরোনামে লিখাগুলো পড়েননি তাদের প্রতি  ‘The Deaf Bangalee-বধির বাঙ্গালির’  এই অংশটুকু পড়ার আহবান রইল।

সাম্প্রতিক বাংলার প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সদ্য প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদ স্য(র) এনট্রফি বিয়য়ের উপর Phd করতে যখন (অ্যা)মেরিকার North Dakota State University তে যান তখন চিরাচরিত নিয়মানুযায়ী তাঁহাকে উক্ত বিষয়ের উপর Undergraduate ছাত্রদের পাঠদান করতে হয়। একদিন তিনি এন্ট্রফির একটি অংশ বিশেষ মনোযোগের সাথে বেশ সময় নিয়ে বুঝাচ্ছেন। ( প্রিয় পাঠক, বলা বাহুল্য এখানে কোন বাঙ্গালি ছাত্র ছিল না। তাই বাংলায় পাঠদান করার প্রশ্নই আসেনা। এখানে ইংরেজি ছাড়া যোগাযোগের অন্য কোন মাধ্যম নেই।)  তো অনেক্ষণ ধরে নির্ধারিত বিষয়ের উপর ক্লাস নেওয়ার পর একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে বিনীতভাবে হুমায়ুন আহমেদ স্য((র) কে বলল,  “স্য((র) যে বিষয়টি নিয়ে আপনি এতক্ষণ আলোচনা করলেন, আই মীন যে বিষয়টি আপনি এতক্ষণ  আমাদেরকে বুঝালেন অনূগ্রহ করে এই বিষয়টি কী আমাদেরকে আবারও ইংরেজিতে বলবেন।” একথা শুনে  ক্লাসে হাসির

উদ্যোগ - সুকান্ত ভট্টাচার্য

            উদ্যোগ

      সুকান্ত ভট্টাচার্য

বন্ধু, তোমার ছাড়ো উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণকরো চিত্ত,
বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।

মাগো, ওরা বলে - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

https://priyokobita.files.wordpress.com/2011/05/19_03_2011___front___01_965730111.jpg

মাগো, ওরা বলে

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

‘কুমড়ো ফুলে ফুলে
নুয়ে পড়েছে লতাটা,
সজনে ডাঁটায়
ভরে গেছে গাছটা,
আর, আমি ডালের বড়ি
শুকিয়ে রেখেছি—
খোকা তুই কবে আসবি!

সুরা নাস – কাব্য-আমপারা - কাজী নজরুল ইসলাম


    সুরা নাস – 

  কাব্য-আমপারা

কাজী নজরুল ইসলাম

(শুরু করিলাম) ল’য়ে নাম আল্লার,

সুরা ইখলাস্ - কাব্য-আমপারা - কাজী নজরুল ইসলাম



সুরা ইখলাস্

  কাব্য-আমপারা

কাজী নজরুল ইসলাম

(শুরু করিলাম) ল’য়ে নাম আল্লার, 
করুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার।

সুরা ফাতেহা কাব্য-আমপারা - কাজী নজরুল ইসলাম

সুরা ফাতেহা

   কাব্য-আমপারা

কাজী নজরুল ইসলাম

(শুরু করিলাম) ল’য়ে নাম আল্লার
করুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার।

এই তো হলো মা যার হয় না তুলনা……..

এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে এসেছেন পাসপোর্ট করাতে।
অফিসার জানতে চাইলেন- আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন, আমি একজন মা।
আসলে ,শুধু মা তো কোনো পেশা হতে পারেনা।
যাক, আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিণি।
মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো। মহিলা সন্তানের চিকিৎসা নিতে বিদেশ গেলেন। সন্তান সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসলো।

অনেকদিন পরে, মহিলা দেখলেন পাসপোর্টটা নবায়ন করা দরকার। যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে। আবার পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। দেখেন আগের সেই অফিসার নেই। খুব , দাম্ভিক,ভারিক্কি, রুক্ষ মেজাজের এক লোক বসে আছেন।

যথারীতি ফরম পূরণ করতে গিয়ে অফিসার জানতে চাইলেন-
আপনার পেশা কি?
মহিলা কিছু একটা বলতে গিয়ে ও একবার থেমে গিয়ে বললেন-
আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেন্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। শিশুর মানসিক এবং শারিরীক বিকাশ সাধন পর্যবেক্ষণ করে,সে অনুযায়ি পরিকল্পণা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যার দিকে খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মানে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভীত মজবুত করি। প্রতিটি মুহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেন্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ,আমার সামান্য ভুলের জন্য যে বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

মহিলার কথা শুনে অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসলেন। মহিলার দিকে এবার যেন একটু শ্রদ্ধা আর বিশেষ নজরে থাকালেন। এবার অফিসার জানতে চাইলেন-
আসলে আপনার মূল পেশাটি কি? যদি আরেকটু বিশদভাবে বলেন। লোকটির আগ্রহ এবার বেড়ে গেলো।

আসলে, পৃথিবীর গুনি জনেরা বলেন , আমার প্রকল্পের কাজ এতো বেশি দূরহ আর কষ্ট সাধ্যযে, দিনের পর দিন আঙুলের নখ দিয়ে সুবিশাল একটি দীঘী খনন করা নাকি তার চেয়ে অনেক সহজ।

আমার রিসার্চ প্রজেক্টতো আসলে অনেকদিন ধরেই চলছে। সার্বক্ষণিক আমাকে ল্যাবরেটরি এবং ল্যাবরেটরীর বাইরে ও কাজ করতে হয়। আহার,নিদ্রা করার ও আমার ঠিক সময় নেই। সবসময় আমাকে কাজের প্রতি সজাগ থাকতে হয়। দুজন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অধীনে মূলত আমার প্রকল্পের কাজ নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চলছে।

মহিলা মনে মনে বলেন,দুজনের কাউকে অবশ্য সরাসরি দেখা যায়না।
(একজন হলেন, আমার স্রষ্টা আরেকজন হলো বিবেক)

আমার নিরলস কাজের স্বীক্বতি স্বরুপ আমি তিনবার স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছি। (মহিলার তিন জন কন্যা সন্তান ছিল।)

এখন আমি সমাজবিজ্ঞান,স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আর পারিবারিক বিজ্ঞান এ তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি, যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিলতম প্রকল্পের বিষয় বলা যায়। প্রকল্পের চ্যালেন্জ হিসাবে একটি অটিস্টিক শিশুর পরিচর্যা করে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলছি, প্রতিটি মুহুর্তের জন্য।

‘উষর মুরুর ধূসর বুকে, ছোট যদি শহর গড়ো,
একটি ছেলে মানুষ করা ইহার চেয়ে অনেক বড়।‘

অফিসার মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে মহিলার কথা শুনেন। এ যেন এক বিস্ময়কর মহিলা। প্রথম দেখেতো একেবারে পাত্তাই দিতে মনে হয়নি।

প্রতিদিন আমাকে ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা আবার কোনো কোনো দিন আমাকে ২৪ ঘন্টাই আমার ল্যাবে কাজ করতে হয়। কাজে এতো বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় যে, কবে যে শেষবার ভালো করে ঘুমিয়ে ছিলাম কোনো রাতে,তাও আমার মনে নেই। অনেক সময় নিজের আহারের কথা ভুলে যাই।আবার অনেক সময় মনে থাকলেও সবার মুখে অন্ন তুলে না দিয়ে খাওয়ার ফুরসত হয়না । অথবা সবাইকে না খাইয়ে নিজে খেলে পরিতৃপ্তি পাই না। পৃথিবীর সব পেশাতেই কাজের পর ছুটি বলে যে কথাটি আছে আমার পেশাতে সেটা একেবারেই নেই। ২৪ ঘন্টাই আমার অন কল ডিউটি।

এরপর আমার আরো দুটি প্রকল্প আছে । একটা হলো বয়স্ক শিশুদের ক্লিনিক। যা আমাকে নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করতে হয়।সেখানেও প্রতিমুহুর্তেও শ্রম দিতে হয়। আমার নিরলস কাজের আর গবেষণার কোনো শেষ নেই ।

আপনার হয়তোবা জানতে ইচ্ছে করছে, এ চ্যালেন্জিং প্রকল্প পরিচালনায় আমার বেতন কেমন হতে পারে।
আমার বেতন ভাতা হলো- পরিবারের সবার মুখে হাসি আর পারিবারিক প্রশান্তি। এর চেয়ে বড় আর বড় প্রাপ্তি যে কিছুই নেই।

এবার আমি বলি, আমার পেশা কি?
আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।

মহিলার কথা শুনে অফিসারের চোখ জলে ভরে আসে। অফিসার ধীরে ধীরে চেয়ার ছেড়ে ওঠেন। পরম মমতায় তিনি পা ছুঁয়ে মহিলাকে সালাম করেন। নিজের মায়ের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে।তিনি খুব সুন্দর করে ফর্মের সব কাজ শেষ করে, মহিলাকে সালাম দিয়ে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। তারপর নিজের অফিস রুমে এসে -একটি ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি বের করে -ছবিটির দিকে অপলক চেয়ে থাকেন। নিজের অজান্তেই চোখের জল টপ টপ করে ছবিটির ওপর পড়তে থাকে ।

সত্যিই কত সহজেই পৃথিবীর সব মা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রতিটি পরিবারে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।মাতৃত্বের গবেষানাগারে প্রতিনিয়ত তিলেতিলে গড়ে তুলছেন একেকটি মানবিক নক্ষত্র।

(Collected from somewhere in blog)

Thursday, July 24, 2014

১৪০০ সাল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

                                         ১৪০০ সাল

                                     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


আজি হতে শতবর্ষ পরে কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি কৌতুহলভরে, আজি হতে শতবর্ষ পরে! আজি নব বসন্তের প্রভাতের আনন্দের

Wednesday, July 23, 2014

Really Funny :

            

※ টাকা থাকুক আর না থাকুক ভারতের আছে একটা “ ধোনী ”!
※ জীবনে কোনদিন পিওনের
চাকরি না করেও অস্ট্রেলিয়ার
আছে একটা “ ক্লার্ক ”!
※ সরকারী চাকরী না করেও দ.আফ্রিকার
আছে একটা “ আমলা ”!
※ সেলাই জানুক আর না জানুক
নিউজিল্যান্ডের আছে “ টেইলর ”!
※ যতই খারাপ হোক তবুও ও.ইন্ডিজের
আছে “ বেস্ট ”!
※ কুরআন মুখস্ত না করেও পাকিস্তানের
আছে ” হাফিজ ”!
※ যুদ্ধ না করেও বাংলাদেশে আছে ”
গাজী ”!
※ জীবিত থেকেও বাংলাদেশে আছে “
শাহাদাত ”!
※ বিয়ে করে বাচ্চার বাপ হওয়ার পরেও
শ্রীলংকায় আছে ” কুমার ”!
※ রান্না করতে পারুক আর না পারুক
ইংলেন্ডে আছে " কুক "!
(Collected)